কেমন আছেন সবাই ? আজকের পোস্ট বাংলাদেশের ১০ কোটি জাতীয় পরিচয়পত্র
(ন্যাশনাল আইডি কার্ড) ধারী ও ১৮ বৎসর বয়সী ভোটার হবার উপযুক্ত সকল
নাগরিকের জন্য । বাংলাদেশে যত জাতীয় পরিচয়পত্র (ন্যাশনাল আইডি কার্ড) আছে
৯৯% ছবি অস্পষ্ট ও ২০% জাতীয় পরিচয়পত্রে তথ্য ভুল রয়েছে, আমি আজ আপনাদের
দেখাবো কিভাবে ঘরে বসেই অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র বা ন্যাশনাল আইডি কার্ডের
বিস্তারিত ডিটেইলস দেখতে পারবেন, ছবি পরিবর্তন, ঠিকানা পরিবর্তন, ভুল
সংশোধন ও তথ্য হালনাগাদ করতে পারবেন ও কিভাবে অনলাইনে নতুন ভোটার হওয়ার
আবেদন ফরম পূরণ করা যাবে ।

এই
পোস্টটি পড়ে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের বিস্তারিত দেখে নিন এবং ফেসবুকে
শেয়ার করে বন্ধুদের অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র ন্যাশনাল আইডি কার্ডের ছবি
পরিবর্তন তথ্য পরিবর্তন ও নতুন ভোটার হবার বিস্তারিত নিয়মকানুন জানিয়ে দেন ।
আজকে দেখাবো অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্রের কি কি পরিবর্তন আপনি নিজেই করতে পারবেন ?
- তথ্য পরিবর্তন
- ঠিকানা পরিবর্তন
- ভোটার এলাকা স্থানান্তর
- পুনঃমূদ্রণ
- ছবি পরিবর্তন
- আবেদনপত্রের হাল অবস্থা
কিভাবে ছবি পরিবর্তন ও তথ্য হালনাগাদ ও আপনার সকল ডাটাবেজ দেখতে পারবেন?
আমি নিচে চিত্রের মাধ্যমে স্টেপ বাই স্টেপ দেখিয়ে দিচ্ছি ।
প্রথমে রেজিষ্ট্রেশন করতে এই লিংকে যান>>>
https://services.nidw.gov.bd/registration
এই সাইট
https ফরম্যাটে হওয়াতে আপনার ফায়ারফক্স ব্রাউজারে এটা লেখা আসতে পারে This Connection is Untrusted সেক্ষেত্রে সমাধান হলো প্রথমে
I Understand the Risks ক্লিক করেন তারপর ।
- On the warning page, click I Understand the Risks.
- Click “Add Exception‘…. The Add Security Exception dialog will appear.
- Click “Confirm Security Exception“ ক্লিক করুন সাইট চলে আসবে ।
কারা অনলাইন সেবার জন্য রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন !!
আপনি ভোটার হয়ে থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করে এই ওয়েবসাইটের সুবিধা নিন। রেজিষ্ট্রেশন করতে নিন্মের ধাপসমূহ অনুসরণ করুণ-
- প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী পূরণ করে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।
- আপনার কার্ডের তথ্য ও মোবাইলে প্রাপ্ত এক্টিভেশন কোড সহকারে লগ ইন করুন।
- তথ্য পরিবর্তনের ফর্মে তথ্য হালনাগাদ করে সেটির প্রিন্ট নিয়ে নিন।
- পৃন্টকৃত ফর্মে স্বাক্ষর করে সেটির স্ক্যানকৃত কপি অনলাইনে জমা দিন।
- তথ্য পরিবর্তনের স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় দলিলাদি কালার স্ক্যান কপি অনলাইনে জমা দিন।
এবার
“রেজিষ্ট্রেশন ফরম পুরন করতে চাই” ক্লিক করুন ।

এবার ফরমটি সঠিক ভাবে পুরন করুনঃ
এবার সঠিক ভাবে ক্যাপচা পুরন করুন ছোট হাতের বড় হাতের অক্ষর বা সংখ্যা যা দেওয়া আছে তাই বসান তবে স্পেস দিতে হবেনা ।
এবার “
রেজিষ্টার” বাটন ক্লিক করে দ্বিতীয় ধাপে চলে যান ।


ফরম
টি সঠিক ও সফল ভাবে রেজিস্টার করার পর দেখুন আপনার মোবাইলে ভেরিফাই কোড
এসেছে ও ব্রাউজারে ঐ কোড সামমিট করার অপশন এসেছে , নিচের ছবির মত স্থানে
আপনার মোবাইলের ভেরিফাই কোড বাসান ও রেজিস্টার বাঁটনে ক্লিক করুন ।
(২ মিনিটের মধ্যে মোবাইলে কোড না আসলে
পুনরায় কোড পাঠান (SMS) ক্লিক করুন)

সঠিক
ভাবে কোড প্রবেশ করার পর আপনার Account Active হয়ে যাবে এবার নিচের ছবির
মত পেইজ আসবে আপনাকে লগইন করতে বলা হবে অথবা লগইন লিংক>>
https://services.nidw.gov.bd/login
লগইন
করতে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর (১৩ সংখ্যার হলে অবশ্যই প্রথমে আপনার
জন্মসাল দিয়ে নিবেন) জন্মতারিখ ও আপনার দেওয়া পাসওয়ার্ড দিয়ে ভেরিফাই কোড
কিভাবে পেতে চান তা সিলেক্ট করতে হবে ।
রেজিস্ট্রেশন করা মোবাইল নাম্বার আপনার হাতের কাছে থাকলে মোবাইলে তা নাহলে ইমেইলে সিলেক্ট করুন ।
এবার
“সামনে” ক্লিক করুন ।

এবার আপনার সিলেক্ট করা অপশন মোবাইলে বা ইমেইল থেকে ভেরিফাই কোড বসিয়ে লগইন করুন ।
২ মিনিটের মধ্যে যদি কোড না আসে তবে “পুনরায় কোড পাঠান” বাটনে ক্লিক করুন ।

এবার দেখুন আপনার নির্বাচন কমিশনের কাছে থাকা আপনার সকল ডাটাবেজ আপনার সামনে হাজির

এবং নিচের যেকোন অপশনে আপনার দরকার অনুযায়ী অপশনে ক্লিক করুন আর তথ্য
হালনাগাদ করুন এবং আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি পরিবর্তন সহ অনেক কিছু
পরিবর্তন করুন।
কিভাবে অনলাইনে নতুন ভোটার হওয়া যাবে ?
অনলাইনে ভোটার হবার আবেদন করতে এই লিংকে যান
https://services.nidw.gov.bd/newVoter
তারপর আপনার ভোটার তথ্য পুরন করুন । অনলাইনে ভোটার হতে নিচের শর্ত গুলো ভাল করে পড়ে নিন এবং “
আমি রাজি ও নিবন্ধন ফরম পূরণ করতে চাই” ক্লিক করুন ।
নতুন ভোটার নিবন্ধন !!
১) নতুন ভোটার হিসাবে নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় আপনাকে স্বাগত জানাই।
ক) ভূমিকাঃ
- অনলাইন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আপনি সঠিকভাবে ভোটার রেজিষ্ট্রেশন ফর্ম পূরণ করতে পারবেন)
- আপনি ইতোমধ্যে ভোটার হয়ে থাকলে পুনরায় আবেদন করার প্রয়োজন নেই। নিবন্ধিত ব্যাক্তি পুনরায় আবেদন করলে সেটি দন্ডনীয় অপরাধ
- নতুন ১৮ বয়সের অধিক, প্রবাসী বা বাদপড়া ভোটারগণ এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারবেন
- বিস্তারিত জানার জন্য এখানে ক্লিক করুন ।
খ। ধাপসমূহঃ
- ধাপে ধাপে সকল তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করুন
- নিজের পূর্ণনাম ছাড়া সকল তথ্য বাংলায় ইউনিকোডে পুরণ করুন
- সকল ধাপ সম্পন্ন হবার পরে প্রিভিউএর মাধ্যমে সকল তথ্য পুনর্বার যাচাই করে নিন
- পিডিএফ ফাইল তৈরি করে সেটি প্রিন্ট করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ নিকটস্থ নির্বাচন অফিসে জমা দিন
- আপনার প্রদত্ত তথ্যাদি যাচাই এবং ঠিকানা যাচাইয়ের পরে তথ্যাদি সঠিক নিশ্চিত হলে আপনার কার্ড তৈরি হবে
- কার্ডের রশিদ জমা দিয়ে কার্ড সংগ্রহ করুন
গ। প্রয়োজনীয় তথ্যাবলীঃ
- বর্তমানে ফরমের চেহারা এইরূপ (পিডিএফ)। ফরম পূরণের আগে সকল তথ্য সাথে রাখুন
- ফরমের সাথে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টের কপি জমা দিন
পোস্ট
আপডেটঃ অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র ভুল সংশোধন, তথ্য পরিবর্তন ও ছবি পরিবর্তন
সার্ভিস টি গতকাল চালু করা হয়েছে, প্রথমে কিছু সমস্যা হতে পারে, ধৈর্য
ধরুন ২/১ দিনের মধ্যে সব ঠিক হয়ে যাবে । এখন জাতীয় পরিচয়পত্রের
রেজিস্ট্রেশন সমস্যা দেখা দিলে ৩/৪ দিন পর আবার চেষ্টা করুন ।
পোস্টটি ফেসবুক বা টুইটারে শেয়ার করতে ভুলবেন না
ইদানিং
অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে টাকার বিনিময়ে অনেকেই ভুয়া জন্ম নিবন্ধন বা Birth
Certificate প্রদান করে থাকেন, ভুয়া জন্ম নিবন্ধন বা Birth Certificate
নিয়ে সরকারি বেসরকারি কোন কাজে গেলে হয়তো আপনার বিভিন্ন বিপদ বা অপমানের
সম্ভবনা থেকে যায়, তাই আজ আমি আপনাদের শিখাবো কিভাবে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন
বা Birth Certificate ভেরিফাই করে নিতে পারেন অথবা কিভাবে অনলাইনে
জন্মনিবন্ধনের জন্য আবেদন করা যায় জন্মনিবন্ধনের আবেদনপত্র ফরম সংগ্রহ করা
যায় ।
অনলাইনে বার্থ সার্টিফিকেট ভেরিফাই করতে
প্রথমে
এই লিংকে ক্লিক করুন
তারপর
নিচের মত পেইজ ওপেন হলে Birth Registration Number এর জায়গাতে আপনার বার্থ
সার্টিফিকেট এর জন্ম নিবন্ধন নম্বর প্রবেশ করুন এবং Date Of Birth এর
জায়গাতে আপনার জন্ম তারিখ প্রবেশ করুন এভাবে DATE-Month-Year
এবার Verify বাটনে ক্লিক করুন , দেখুন মত নিচে আপনার সকল তথ্য দেখাচ্ছে
আর যদি নিচের ছবির মত Matching birth records not found এমন দেখায় তবে বুঝবেন ভুয়া জন্ম নিবন্ধন পেয়েছেন ।
অনলাইনে জন্মনিবন্ধনের জন্য আবেদন করা বা জন্ম নিবন্ধন এর আবেদনপত্র ফরম সংগ্রহ
অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন এর আবেদন করতে , আবেদনপত্র ফরম সংগ্রহ বা আপনার জমা দেয়া আবেদন কোন পর্যায়ে আছে জানতে
এখানে ক্লিক করুন
জন্ম
নিবন্ধন হলো জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন, ২০০৪ (২০০৪ সনের ২৯ নং আইন) এর
আওতায় একজন মানুষের নাম, লিঙ্গ, জন্মের তারিখ ও স্থান, বাবা-মায়ের নাম,
তাদের জাতীয়তা এবং স্থায়ী ঠিকানা নির্ধারিত নিবন্ধক কর্তৃক রেজিস্টারে লেখা
বা কম্পিউটারে এন্ট্রি প্রদান এবং জন্ম সনদ প্রদান করা। জন্ম নিবন্ধন আইনে
বলা হয়েছে, বয়স, জাতি-গোষ্ঠি, ধর্ম-কিংবা জাতীয়তা সকল নির্বিশেষে
বাংলাদেশে জন্ম গ্রহণকারী প্রত্যেকটি মানুষের জন্য জন্ম নিবন্ধন করা
বাধ্যতামূলক। জন্ম নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষে জন্ম নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ
নিবন্ধনকারীকে একটি সার্টিফিকেট প্রদান করেন। জন্ম নিবন্ধন আইনের বিধান
অনুযায়ী এই বিধি লংঘনকারী নিবন্ধক বা ব্যক্তি অনধিক ৫০০ (পাঁচশত টাকা) অথবা
অনধিক দুইমাস বিনাশ্রম কারাদন্ডে বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হতে পারেন।
সতর্কতাঃ লেখকের অনুমোদন ছাড়া অন্য সাইটে কপি পেস্ট করা যাবেনা
ভাল থাকুন সবাই
ফেসবুকে আমার সাথে যুক্ত থাকতে চাইলে এখানে ফলো করতে পারেন
আপনাদের ভালবাসায় ধন্য
মোঃ রুবেল আহমেদ
মনে
রাখবেন বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক (১ দিনের শিশু থেকে সকল বয়সের বৃদ্ধের
বৈধ জন্ম নিবন্ধন থাকা বাধ্যতামূলক) তাই পোস্ট আপনি নিজে পড়ুন ও ফেসবুকে
শেয়ার করে বন্ধু বান্ধবী সবাইকে জন্ম নিবন্ধন ভেরিফাই করে নিতে বলুন