বুধবার, ২৪ জুন, ২০১৫

এবার এসে গেল নম্বর পাল্টে ফোন করার অ্যাপ

রযুক্তির এই অগ্রগতি অপরাধ আরও বাড়াবে কিনা, তা পাঠকদের বিচার্য, তবে বন্ধুদের একটু চমকে দিতে এবার এল এমন অ্যাপ, যা দিয়ে আপনি মুহূর্তের জন্য বদলে ফেলতে পারেন নিজের ফোন নম্বর। অ্যান্ড্রয়েডের এই অ্যাপগুলাের সাহায্যে গ্রাহক কিছুক্ষণের জন্য বদলে ফেলতে পারে নিজের পরিচয়।
ইতোমধ্যেই বিভিন্ন স্মার্টফোনে ছেয়ে গিয়েছে Voxox, Lifehacker, Spoofcard, Tracebust, CallerIDFaker-সহ পরিচয় বদলের বিভিন্ন অ্যাপ-এ। এগুলাের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়তা পেয়ে Tracebust। কীভাবে কাজ করবে এই অ্যাপ?
এই অ্যাপ থেকে ফোন করলে কিছু সময়ের জন্য বদলে যাবে আপনার ফোন নম্বর। এর পর যদি গলা পাল্টে ফেলেন, তাহলে ফোনের অপর প্রান্তের পরিচিত মানুষটির আপনাকে চিনতে বেশ কসরত করতে হবে। বহু মানুষ এই সব অ্যাপ ইনস্টল করে বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে মজায় মেতেছেন। পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বেড়েছে অপরাধও। বিভিন্ন রাজ্যের প্রশাসন জানাচ্ছে, এই সব অ্যাপ-এর সাহায্যে নারীদের উত্যক্ত করা শুরু করেছে অনেকে। এ বিষয়ে নানা অভিযোগও জমা পড়ছে।
অ্যাপসটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে

WINDOWS 8/8.1 এর START মেনু WINDOWS XP/7 এর মত করবেন যেভাবে

windows 8/8.1 এর start মেনু windows xp/7 এর মত করবেন যেভাবে
সবাইকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আজকের টিউন।
চেষ্টা করছি নিয়মিত আপনাদেরকে পিসি বিষয়ক টিউনউপহার দিতে, আর সেই ধারাবাহিকতায় এই টিউন।
image
আমরা যারা পিসি ব্যবহার করি তাদের অনেকেই windows xp বা windows 7 ব্যবহার থেকে windows 8/8.1 ব্যবহার করায় বেশি স্বাচ্ছন্দবোধ করি । কারন windows 8/8.1 ব্যবহার করা যেমন সহজ তেমনি এর ইন্টারফেস ও ভালো । কিন্তু এর প্রধান এবং একমাত্র সমস্যা হয় start manu . । windows 7 এর স্টার্ট মেনু access করা সহজ এবং দেখতেও ভাল লাগে । আজ তাই আমি আপনাদের দেখাব কিভাবে windows 8/8.1 এর start মেনু windows xp/7 এর মত করবেন।
প্রথমে আপনাদের এই সফটওয়্যার টি  পিসিতে ইন্সটল করতে হবে।
download link
start manu link 1
start manu link 2
size :5.3MB
image
তারপর আপনার স্টার্ট মেনুর কাছে গিয়ে right বাটন ক্লিক করে সেটিং এ যাবেন । তারপর windows xp/ windows 7 / windows vista এর যে কোন একটি সিলেক্ট করেন । তারপর দেখেন আপনার পিসির স্টার্ট মেনু আপনার মনের মত হয়ে গেছে।
download করার জন্য firefox or internet explorer ব্যবহার করুন
তারপর আপনার স্টার্ট মেনুর কাছে গিয়ে right বাটন ক্লিক করে সেটিং এ যাবেন । তারপর windows xp/ windows 7 / windows vista এর যে কোন একটি সিলেক্ট করেন । তারপর দেখেন আপনার পিসির স্টার্ট মেনু আপনার মনের মত হয়ে গেছে।
download link
start manu link 1
start manu link 2
size :5.3MB
download করার জন্য firefox or internet explorer ব্যবহার করুন 

এবার PC তে Android App use করুন without bluestack or YouWave.

মাহে রমজানের শুভচ্ছা। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও ভাল আছি আমি আজকে যে বিষয় নিয়ে কথা বলব সেটা হল কিভাবে android app play করবেন bluestacks or YouWave ছাড়াই।
bluestack and YouWave অনেক জায়গা দখল করে এবং আপনার কম্পিউটার এর ও বারোটা বাজিয়ে দেয়।
তাই এবার android app play করুন কোন software ছারাই
কথা না বারিয়ে এখুনি দেখে নিন আপনার জন্য সুন্দর করে তৈরি করা ভিডিও টিউটরিয়াল টি
Direct YouTube Link
How to install Whatsapp or Android app on PC without BlueStacks or YouWave
কোন সমস্যা হলে টিউমেন্ট করে জানাবেন

পাঠানো ইমেইল বাতিল করতে জিমেইলে যুক্ত হল ‘আনডু সেন্ড’

image
ভুল করে কারও কাছে ইমেইল
পাঠানোর ঘটনা অনেক সময়ই ঘটে থাকে।
আর এ থেকে পরিত্রাণ পেতে জিমেইলে আছে ‘আনডু সেন্ড’ নামের একটি অপশন যার সাহায্যে পাঠিয়ে দেওয়ার পর একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেই ইমেইলটি বাতিল করা সম্ভব। দীর্ঘদিন ধরে জিমেইলে পরীক্ষামূলকভাবে এই ফিচারটি চালু থাকলেও গতকাল আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফিচারটি উন্মুক্ত করেছে গুগল।
এর আগে জিমেইলের সেটিংস অপশনের
‘ল্যাব’ ট্যাবে ফিচারটি থাকলেও এবার এটি
নিয়ে আসা হয়েছে ‘জেনারেল’ ট্যাবে। সেখানে ৫ থেকে ৩০ সেকেন্ড পর্যন্ত বিভিন্ন টাইম উইন্ডো বাছাই করে নেওয়া যাবে।
পরবর্তীতে কারও কাছে ইমেইল পাঠানোর পর সেই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উপরের দিকে থাকা ‘Undo’ বাটনে ক্লিক করলেই পাঠানো মেইলটি বাতিল হয়ে যাবে। ওয়েবের পাশাপাশি গুগলের ইনবক্স অ্যাপেও পাওয়া যাবে এই
সুবিধা।
২০০৯ সালে গুগল প্রথম এই ফিচারটি চালু
করে। এরপর প্রায় ৬ বছর এটি পরীক্ষামূলক পর্যায়ে ছিল।

এখন খুব সহজ উপায়ে আপনার এন্ড্রয়েড ফোনে স্ক্রীনশট নিন তাও আবার কোন সফটওয়্যার ছাড়া

বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন ? আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজকে ছোট একটা টিপস দিব যদিও অনেকে জানেন। তবে যারা জানেন না তারা তো জানতে পারবেন। আমরা যারা এন্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করে থাকি তাদের অনেক সময় স্ক্রীনশট নেয়ার দরকার পরে। এজন্য অনেক অনেক অ্যাপ ব্যবহার করে থাকেন। আজকে আপনাদের শিখাব কি করে কোন সফটওয়্যার ছাড়া সহজেই আপনার এন্ড্রয়েড ফোন এ স্ক্রীনশট নিবেন। যাহোক কাজের কথায় আসি।
প্রথমে আপনার ফোনের ক্যামেরা অন করুন। এরপর ক্যামেরা মিনিমাইজ করে রাখুন।
এখন যার স্ক্রীন শট নিবেন সেটি ওপেন করুন।
এরপর আপনার ফোনের পাওয়ার বাটন এবং ভলিয়ম এর নিছের কি একই সময়ে প্রেস করুন।
দেখবেন স্ক্রীন শট নেয়া হয়েগেছে। এখন দেখুন গ্যালারীতে আপনার স্ক্রীনশট সেভ হয়ে গেছে।
আশা করি বুঝতে সমস্যা হয় নি।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০১৫

জাতীয় পরিচয়পত্র (ন্যাশনাল আইডি কার্ড) এর ছবি পরিবর্তন তথ্য পরিবর্তন ও নতুন ভোটার হোন অনলাইনে


কেমন আছেন সবাই ? আজকের পোস্ট বাংলাদেশের ১০ কোটি জাতীয় পরিচয়পত্র (ন্যাশনাল আইডি কার্ড) ধারী ও ১৮ বৎসর বয়সী ভোটার হবার উপযুক্ত সকল নাগরিকের জন্য । বাংলাদেশে যত জাতীয় পরিচয়পত্র (ন্যাশনাল আইডি কার্ড) আছে ৯৯% ছবি অস্পষ্ট ও ২০% জাতীয় পরিচয়পত্রে তথ্য ভুল রয়েছে, আমি আজ আপনাদের দেখাবো কিভাবে ঘরে বসেই অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র বা ন্যাশনাল আইডি কার্ডের বিস্তারিত ডিটেইলস দেখতে পারবেন, ছবি পরিবর্তন, ঠিকানা পরিবর্তন, ভুল সংশোধন ও তথ্য হালনাগাদ করতে পারবেন ও কিভাবে অনলাইনে নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন ফরম পূরণ করা যাবে ।
National ID Card Bangladeshএই পোস্টটি পড়ে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের বিস্তারিত দেখে নিন এবং ফেসবুকে শেয়ার করে বন্ধুদের অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র ন্যাশনাল আইডি কার্ডের ছবি পরিবর্তন তথ্য পরিবর্তন ও নতুন ভোটার হবার বিস্তারিত নিয়মকানুন জানিয়ে দেন ।

আজকে দেখাবো অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্রের কি কি পরিবর্তন আপনি নিজেই করতে পারবেন ?

  • তথ্য পরিবর্তন
  • ঠিকানা পরিবর্তন
  • ভোটার এলাকা স্থানান্তর
  • পুনঃমূদ্রণ
  • ছবি পরিবর্তন
  • আবেদনপত্রের হাল অবস্থা

কিভাবে ছবি পরিবর্তন ও তথ্য হালনাগাদ ও আপনার সকল ডাটাবেজ দেখতে পারবেন?

আমি নিচে চিত্রের মাধ্যমে স্টেপ বাই স্টেপ দেখিয়ে দিচ্ছি ।
প্রথমে রেজিষ্ট্রেশন করতে এই লিংকে যান>>> https://services.nidw.gov.bd/registration
এই সাইট https ফরম্যাটে হওয়াতে আপনার ফায়ারফক্স ব্রাউজারে এটা লেখা আসতে পারে This Connection is Untrusted  সেক্ষেত্রে সমাধান হলো প্রথমে I Understand the Risks ক্লিক করেন তারপর ।
  1. On the warning page, click I Understand the Risks.
  2. Click “Add Exception‘…. The Add Security Exception dialog will appear.
  3. Click “Confirm Security Exception ক্লিক করুন সাইট চলে আসবে ।

কারা অনলাইন সেবার জন্য রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন !!

আপনি ভোটার হয়ে থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করে এই ওয়েবসাইটের সুবিধা নিন। রেজিষ্ট্রেশন করতে নিন্মের ধাপসমূহ অনুসরণ করুণ-
  • প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী পূরণ করে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।
  • আপনার কার্ডের তথ্য ও মোবাইলে প্রাপ্ত এক্টিভেশন কোড সহকারে লগ ইন করুন।
  • তথ্য পরিবর্তনের ফর্মে তথ্য হালনাগাদ করে সেটির প্রিন্ট নিয়ে নিন।
  • পৃন্টকৃত ফর্মে স্বাক্ষর করে সেটির স্ক্যানকৃত কপি অনলাইনে জমা দিন।
  • তথ্য পরিবর্তনের স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় দলিলাদি কালার স্ক্যান কপি অনলাইনে জমা দিন।
এবার “রেজিষ্ট্রেশন ফরম পুরন করতে চাই” ক্লিক করুন ।
NID BDএবার ফরমটি সঠিক ভাবে পুরন করুনঃ
  • এন.আই.ডি নম্বরঃ  (আপনার এন.আই.ডি নম্বর যদি ১৩ সংখ্যার হয় তবে অবশ্যই প্রথমে আপনার জন্মসাল দিয়ে নিবেন উদাহরণঃ আপনার কার্ড নাম্বার ১২৩৪৫৬৭৮৯১০০০ ও জন্মসাল ১৯৯০ আপনি এভাবে দিবেন ১৯৯০১২৩৪৫৬৭৮৯১০০০)
  • জন্ম তারিখঃ (কার্ড দেখে সিলেক্ট করুন)
  • মোবাইল ফোন নম্বরঃ (আপনার সঠিক মোবাইল নাম্বার দিন কারন মোবাইলে ভেরিফাই কোড পাঠাবে )
  • ইমেইলঃ (ইচ্ছা হলে দিতে পারেন না দিলে সমস্যা নাই, ইমেইল আইডি দিলে পরবর্তীতে লগইন করার সময় ভেরিফাই কোড ইমেইলে সেন্ড করতে পারবেন যদি মোবাইল হাতের কাছে না থাকে)
  • বর্তমান ঠিকানা

    • জেলা
  • স্থায়ী ঠিকানা

  • জেলা
  • লগইন পাসওয়ার্ড

  • পাসওয়ার্ড অবশ্যই ৮ সংখ্যার হতে হবে বড় হাতের অক্ষর ও সংখ্যা থাকতে হবে যেমনঃ PChelpline2015
এবার সঠিক ভাবে ক্যাপচা পুরন করুন ছোট হাতের বড় হাতের অক্ষর বা সংখ্যা যা দেওয়া আছে তাই বসান তবে স্পেস দিতে হবেনা ।
এবার “রেজিষ্টার” বাটন ক্লিক করে দ্বিতীয় ধাপে চলে যান ।

NID Online BDNID CARDফরম টি সঠিক ও সফল ভাবে রেজিস্টার করার পর দেখুন আপনার মোবাইলে ভেরিফাই কোড এসেছে ও ব্রাউজারে ঐ কোড সামমিট করার অপশন এসেছে , নিচের ছবির মত স্থানে আপনার মোবাইলের ভেরিফাই কোড বাসান ও রেজিস্টার বাঁটনে ক্লিক করুন ।
(২ মিনিটের মধ্যে মোবাইলে কোড না আসলে পুনরায় কোড পাঠান (SMS) ক্লিক করুন)
NIDসঠিক ভাবে কোড প্রবেশ করার পর আপনার Account Active হয়ে যাবে এবার নিচের ছবির মত পেইজ আসবে আপনাকে লগইন  করতে বলা হবে অথবা লগইন লিংক>> https://services.nidw.gov.bd/login
লগইন করতে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর (১৩ সংখ্যার হলে অবশ্যই প্রথমে আপনার জন্মসাল দিয়ে নিবেন)  জন্মতারিখ ও আপনার দেওয়া পাসওয়ার্ড দিয়ে ভেরিফাই কোড কিভাবে পেতে চান তা সিলেক্ট করতে হবে ।
রেজিস্ট্রেশন করা মোবাইল নাম্বার আপনার হাতের কাছে থাকলে মোবাইলে তা নাহলে ইমেইলে সিলেক্ট করুন ।
এবার “সামনে” ক্লিক করুন ।
services.nidw.gov.bd
এবার আপনার সিলেক্ট করা অপশন মোবাইলে বা ইমেইল থেকে ভেরিফাই কোড বসিয়ে লগইন করুন ।
২ মিনিটের মধ্যে যদি কোড না আসে তবে “পুনরায় কোড পাঠান”  বাটনে ক্লিক করুন ।
jatiyo porichoy potro verify এবার দেখুন আপনার নির্বাচন কমিশনের কাছে থাকা আপনার সকল ডাটাবেজ আপনার সামনে হাজির এবং নিচের যেকোন অপশনে আপনার দরকার অনুযায়ী অপশনে ক্লিক করুন আর তথ্য হালনাগাদ করুন এবং আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি পরিবর্তন সহ অনেক কিছু পরিবর্তন করুন।
NiD 5

কিভাবে অনলাইনে নতুন ভোটার হওয়া যাবে ?

অনলাইনে ভোটার হবার আবেদন করতে এই লিংকে যান https://services.nidw.gov.bd/newVoter
তারপর আপনার ভোটার তথ্য পুরন করুন । অনলাইনে ভোটার হতে নিচের শর্ত গুলো ভাল করে পড়ে নিন এবং “আমি রাজি ও নিবন্ধন ফরম পূরণ করতে চাই” ক্লিক করুন ।

নতুন ভোটার নিবন্ধন !!

১) নতুন ভোটার হিসাবে নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় আপনাকে স্বাগত জানাই।
ক) ভূমিকাঃ
  • অনলাইন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আপনি সঠিকভাবে ভোটার রেজিষ্ট্রেশন ফর্ম পূরণ করতে পারবেন)
  • আপনি ইতোমধ্যে ভোটার হয়ে থাকলে পুনরায় আবেদন করার প্রয়োজন নেই। নিবন্ধিত ব্যাক্তি পুনরায় আবেদন করলে সেটি দন্ডনীয় অপরাধ
  • নতুন ১৮ বয়সের অধিক, প্রবাসী বা বাদপড়া ভোটারগণ এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারবেন
  • বিস্তারিত জানার জন্য এখানে ক্লিক করুন ।
খ। ধাপসমূহঃ
  • ধাপে ধাপে সকল তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করুন
  • নিজের পূর্ণনাম ছাড়া সকল তথ্য বাংলায় ইউনিকোডে পুরণ করুন
  • সকল ধাপ সম্পন্ন হবার পরে প্রিভিউএর মাধ্যমে সকল তথ্য পুনর্বার যাচাই করে নিন
  • পিডিএফ ফাইল তৈরি করে সেটি প্রিন্ট করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ নিকটস্থ নির্বাচন অফিসে জমা দিন
  • আপনার প্রদত্ত তথ্যাদি যাচাই এবং ঠিকানা যাচাইয়ের পরে তথ্যাদি সঠিক নিশ্চিত হলে আপনার কার্ড তৈরি হবে
  • কার্ডের রশিদ জমা দিয়ে কার্ড সংগ্রহ করুন
গ। প্রয়োজনীয় তথ্যাবলীঃ
  • বর্তমানে ফরমের চেহারা এইরূপ (পিডিএফ)। ফরম পূরণের আগে সকল তথ্য সাথে রাখুন
  • ফরমের সাথে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টের কপি জমা দিন
পোস্ট আপডেটঃ অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র ভুল সংশোধন, তথ্য পরিবর্তন ও ছবি পরিবর্তন সার্ভিস টি গতকাল চালু করা হয়েছে, প্রথমে কিছু সমস্যা হতে পারে, ধৈর্য ধরুন ২/১ দিনের মধ্যে সব ঠিক হয়ে যাবে । এখন জাতীয় পরিচয়পত্রের রেজিস্ট্রেশন সমস্যা দেখা দিলে ৩/৪ দিন পর আবার চেষ্টা করুন ।

পোস্টটি ফেসবুক বা টুইটারে শেয়ার করতে ভুলবেন না

ইদানিং অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে টাকার বিনিময়ে অনেকেই ভুয়া জন্ম নিবন্ধন বা Birth Certificate প্রদান করে থাকেন,  ভুয়া জন্ম নিবন্ধন বা Birth Certificate নিয়ে সরকারি বেসরকারি কোন কাজে গেলে হয়তো আপনার বিভিন্ন বিপদ বা অপমানের সম্ভবনা থেকে যায়, তাই আজ আমি আপনাদের শিখাবো কিভাবে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন বা Birth Certificate ভেরিফাই করে নিতে পারেন অথবা কিভাবে অনলাইনে জন্মনিবন্ধনের জন্য আবেদন করা যায়  জন্মনিবন্ধনের আবেদনপত্র ফরম সংগ্রহ করা যায় ।

অনলাইনে বার্থ সার্টিফিকেট ভেরিফাই করতে

প্রথমে এই লিংকে ক্লিক করুন 
তারপর নিচের মত পেইজ ওপেন হলে Birth Registration Number এর জায়গাতে আপনার বার্থ সার্টিফিকেট এর জন্ম নিবন্ধন নম্বর প্রবেশ করুন এবং Date Of Birth এর জায়গাতে আপনার জন্ম তারিখ প্রবেশ করুন এভাবে DATE-Month-Year
jonmo Nibondhon LGD Bd
এবার Verify বাটনে ক্লিক করুন , দেখুন মত নিচে আপনার সকল তথ্য দেখাচ্ছে
জন্ম নিবন্ধন
আর যদি নিচের ছবির মত Matching birth records not found এমন দেখায় তবে বুঝবেন ভুয়া জন্ম নিবন্ধন পেয়েছেন ।
no matche

অনলাইনে জন্মনিবন্ধনের জন্য আবেদন করা বা জন্ম নিবন্ধন এর আবেদনপত্র ফরম সংগ্রহ

অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন এর আবেদন করতে , আবেদনপত্র ফরম সংগ্রহ  বা আপনার জমা দেয়া আবেদন কোন পর্যায়ে আছে জানতে এখানে ক্লিক করুন

জন্ম নিবন্ধন হলো জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন, ২০০৪ (২০০৪ সনের ২৯ নং আইন) এর আওতায় একজন মানুষের নাম, লিঙ্গ, জন্মের তারিখ ও স্থান, বাবা-মায়ের নাম, তাদের জাতীয়তা এবং স্থায়ী ঠিকানা নির্ধারিত নিবন্ধক কর্তৃক রেজিস্টারে লেখা বা কম্পিউটারে এন্ট্রি প্রদান এবং জন্ম সনদ প্রদান করা। জন্ম নিবন্ধন আইনে বলা হয়েছে, বয়স, জাতি-গোষ্ঠি, ধর্ম-কিংবা জাতীয়তা সকল নির্বিশেষে বাংলাদেশে জন্ম গ্রহণকারী প্রত্যেকটি মানুষের জন্য জন্ম নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক। জন্ম নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষে জন্ম নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ নিবন্ধনকারীকে একটি সার্টিফিকেট প্রদান করেন। জন্ম নিবন্ধন আইনের বিধান অনুযায়ী এই বিধি লংঘনকারী নিবন্ধক বা ব্যক্তি অনধিক ৫০০ (পাঁচশত টাকা) অথবা অনধিক দুইমাস বিনাশ্রম কারাদন্ডে বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হতে পারেন।
সতর্কতাঃ লেখকের অনুমোদন ছাড়া অন্য সাইটে কপি পেস্ট করা যাবেনা
ভাল থাকুন সবাই
ফেসবুকে আমার সাথে যুক্ত থাকতে চাইলে এখানে ফলো করতে পারেন
আপনাদের ভালবাসায় ধন্য
মোঃ রুবেল আহমেদ

মনে রাখবেন বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক (১ দিনের শিশু থেকে সকল বয়সের বৃদ্ধের বৈধ জন্ম নিবন্ধন থাকা বাধ্যতামূলক)  তাই পোস্ট আপনি নিজে পড়ুন ও ফেসবুকে শেয়ার করে বন্ধু বান্ধবী সবাইকে জন্ম নিবন্ধন ভেরিফাই করে নিতে বলুন

Watery Desktop 3D ওয়ালপেপার দিয়ে মনে হবে যেন পানিতে ভাসছে আপনার ডেস্কটপ ( আপডেট )

যারা ডেস্কটপকে একটু ভিন্ন আমেজে সাজাতে চান তাদের জন্য দারুন দারুন কিছু এ্যানিমেটেড ওয়ালপেপার শেয়ার করতে চাই। যা ব্যবহার করে আপনিও বেশ মজা পাবেন। আমি যে এ্যানিমেটেড ওয়ালপেপার কথা বলছি সেটা পানিতে ভেসে বেড়াবে আপনার ডেস্কটপ। কি বিশ্বাস হচ্ছে না, তাহলে এখান থেকে ডাউনলোড করে নিন ।  সিরিয়াল নাম্বারের জন্য ভিতরে কিগান দেয়া আছে, সেখান থেকে শুধু আপনার নাম দিয়ে সিরিয়াল বসিয়ে দিলেই সফট টি ফুল ভার্সন হয়ে যাবে ।  সফটটি মাত্র ১.১৭ মেগাবাইট। Watery Desktop 3D নামের সফটটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন এবং ডেস্কটপ আইকনে ক্লিক করলেই টাস্কবার আইকন আসবে আপনি এখান থেকে স্ক্রীন সেভারের গতি নিয়ন্ত্রন করতে পারেন। তাহলে দেরী না করে ডাউনলোড করে নিন। সংগে আরও বেশ কিছু এ্যানিমেটেড ওয়ালপেপার ডাউনলোড করার লিংক ও নমুনা। দেখে নিন।  


এখান থেকে বিভিন্ন ধরনের এ্যানিমেটেড ওয়ালপেপার ডাউনলোড করে নিতে পারেন http://www.push-entertainment.com/products.html

রবি sim এ 49 টাকায় 1GB (রমজান special offer)— সবাই পাবেন!!!!!

আসসালামু আলাইকুম। অনেক দিন পর টিউন করছি। চলছে পবিত্র রমজান মাস। সবাই আশা করি সব রোযা রাখছেন। যাই হোক আজকে একটি নয় দুইটি ট্রিক একসাথে বলব। রোযার মাসে এতবার লিখতে কার ভাল লাগে।কথা বেশি বড় করতে ইছা করছে না। সরাসরি জানিয়ে দেওাই ভাল। প্রথমত জানিয়ে দেই রবির ৮৯ টাকায় ১ জিবি অফার।

ডায়াল করুন-*8444*089#
এর মুল্য VAT সহ ৮৯ টাকা। এবং মেয়াদ ৭ দিন।
screenshot টি দেখে নিন—-

এবার আসছি শিরোনাম মোতাবেক কাজের কথায়। রবিতে ১ জিবি ৪৯ টাকায়+ VAT.
প্রথমে ডায়াল করুন-
844480
তারপর ১ চাপুন ব্যস পেয়ে যাবেন ১ জিবি আপনার
ব্যালেন্স রাখবেন ৫৫ টাকা। মেয়াদ ১ মাস। mb চেক করতে ডায়াল করুন–
*8444*88#
অফারটি সবার জন্য। আমি নিজে পেয়ে আপনাদের জানিয়েছি। কোন সমস্যা হলে আমি আছি জানাতে পারেন।দুই টাই তো ১ জিবি। আপনি কোনটা নিবেন। এইটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। কম দামি টাই নিবেন। কি?? ঠিক বললাম তো। তাও অনেক কষ্ট করে দুইটা অফার এ লিখলাম আপনাদের জন্য। যেন আপনারা উপকৃত হন। দুইটা অফার জেনে রাখাই ভাল। আজকে আর লিখতে ইছে করছে না। নয়ত আরেকটা অফার বলতাম। থাক আরেকদিন সেটা নিয়ে টিউন করব। আজ এ পর্যন্তই থাক।

YouTube থেকে ভিডিও Download করার সবচেয়ে সহজ উপায় !

আসসালামু আলাইকুম। আশা করছি সিরিজ জয়ের আনন্দ গায়ে মেখে এখনও সবাই হাওয়ায় ভাসছেন। বন্ধুরা, আমি নতুন হিসেবে আজ প্রথম একটা Article Post করতে যাচ্ছি। যদিও অনেকেই Process টা জানেন তথাপি আমার মত নতুনদের জন্য খুব Useful হবে এমনটাই আশা রাখছি। ভূমিকা শেষ, এবার কাজের কথায় আসা যাক।
ধরা যাক, আপনি একটা ভিডিও ডাউনলোড করতে চাচ্ছেন যার URL হচ্ছে- https://www.youtube.com/watch?v=XRtDW4dY814 । এক্ষেত্রে আপনার প্রথম এবং প্রধান কাজ হচ্ছে Address Bar এ গিয়ে   (https://www.) অংশটুকু উঠিয়ে ss Type করবেন। তাহলে URL টি হবে এরকম: ssyoutube.com/watch?v=XRtDW4dY814 । এবার Key Board থেকে Enter চাপুন। দেখুন, নতুন Page Open হয়েছে! আপনি কোন্ Format এ Video টি Download করতে চান তা দেখিয়ে দিন। ধরে নিন, এই দেখিয়ে দেওয়ার সাথে সাথেই আপনি Download বাটন প্রেস করলেন!
জানিনা, আমার প্রথম Post কতটুকু গুরুত্ব পাবে। তবে হ্যাঁ, যদি Published হয় তাহলে ভবিষ্যতে মজার, গুরুত্বপূর্ণ এবং নতুন নতুন Post দিতে ভেতর থেকে একটা উৎসাহ পেয়ে বসবে। হয়ত নিজের মান রাখতে পারব।
সবার সুস্থ্যতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি। আল্লাহ হাফেজ।

সোমবার, ২২ জুন, ২০১৫

ওয়েব ডিজাইন-৪:লেখার আকার-আকৃতি পরিবর্তন

আগের পোস্টে আমরা দেখেছি কেমন করে ওয়েব পেজে লেখা সাজাতে হয়। এই পোস্টে আমরা দেখবো কেমন করে ফন্ট পরিবর্তন, আকার আকৃতি পরিবর্তন করতে হয়।
১। বোল্ড, ইটালিক, আন্ডারলাইনঃ কোন লেখাকে বোল্ড(মোটা) , ইটালিক(কিছুটা হেলানো) বা আন্ডারলাইন(নিচে টান) করতে যথাক্রমে <b> , <i> ও <u> ট্যাগ ব্যবহার করা হয়। (মনে রাখার জন্যঃ বোল্ড(bold)এর প্রথম অক্ষর b,ইটালিক (Italic) এর প্রথম অক্ষর i,এবং আন্ডারলাইনের( underline) প্রথম অক্ষর u)। এই ট্যাগগুলো এবং এদের সমাপ্তিসূচক ট্যাগের মাঝে যা লিখবেন , তা-ই বোল্ড, ইটালিক বা আন্ডারলাইন হবে। যেমনঃ
<b>MAHFUZ</b>  <br/>
<i>MAHFUZ</i>  <br/>
<u>MAHFUZ</u> <br/>
ওয়েব পেজে নিচের ন্যায় দেখাবেঃ
MAHFUZ
MAHFUZ
MAHFUZ
যদি একই লেখাকে একসাথে বোল্ড,ইটালিক বা আন্ডারলাইন করতে চান তবে একাধিক ট্যাগ একসাথে ব্যবহার করতে পারবেন। যেমনঃ
<b><i>MAHFUZ</i></b> <br/>
<b><u>MAHFUZ</u></b> <br/>
<i><u>MAHFUZ</u></i> <br/>
<i><b><u>MAHFUZ</u></b></i> <br/>
ওয়েব পেজে নিচের ন্যায় দেখাবেঃ
MAHFUZ
MAHFUZ
MAHFUZ
MAHFUZ
  1. হেডিংঃ সংবাদ পত্রের শিরোনামের সাথে আমরা সবাই পরিচিত। অনেক ওয়েব সাইটেও দেখবেন এরকম শিরোনাম(Headline) থাকে। আপনিও ওয়েব পেজে শিরোনাম দিতে পারেন। এজন্য <h1>, <h2>, <h3> ,<h4>, <h5>ও <h6> এই ছয়টি ট্যাগ ব্যবহার করতে পারবেন। কোনটির ক্ষেত্রে শিরোনামটা কেমন হবে তা বলার চেয়ে দেখে বোঝা সহজ। যথাঃ
<h1>MAHFUZUR RAHMAN</h1> <br/>
<h2>MAHFUZUR RAHMAN</h2> <br/>
<h3>MAHFUZUR RAHMAN</h3> <br/>
<h4>MAHFUZUR RAHMAN</h4> <br/>
<h5>MAHFUZUR RAHMAN</h5> <br/>
<h6>MAHFUZUR RAHMAN</h6> <br/>
ওয়েব পেজে নিচের ন্যায় দেখাবেঃ

MAHFUZUR RAHMAN

MAHFUZUR RAHMAN

MAHFUZUR RAHMAN

MAHFUZUR RAHMAN

MAHFUZUR RAHMAN
MUKTADIR RAHMAN
কেন দিয়েছি বুঝতে পারছেন তো?
৩। সুপারস্ক্রিপ্ট ও সাবস্ক্রিপ্টঃ কোন লেখা স্বাভাবিক অবস্থান থেকে সামান্য উপরে থাকলে তাকে বলে সুপারস্ক্রিপ্ট আর সামান্য নিচে থাকলে তাকে বলে সাবস্ক্রিপ্ট ।য়েব পেজে অংক জাতীয় কোন লেখা লিখতে এবং রাসায়নিক সংকেত লিখতে এদের খুব প্রয়োজন হয়। সুপারস্ক্রিপ্ট(superscript) ও সাবস্ক্রিপ্ট (subscript) লিখার জন্য যথাক্রমে <sup> ও <sub> ট্যাগ দুটি ব্যবহার করা হয়। যেমনঃ
(a+b) <sup> 2 </sup> = a <sup> 2 </sup> +2ab+ b <sup> 2 </sup> <br/>
H<sub>2</sub>O
ওয়েব পেজে নিচের ন্যায় দেখাবেঃ
(a+b) 2 = a 2 +2ab+ b 2
H2O
৪। ফন্ট পরিবর্তনঃ সাধারনভাবে ওয়েব পেজে যখন কোন লেখা লিখেন তখন দেখবেন তা একটি নির্দিষ্ট ফন্টে , নির্দিষ্ট সাইজে আসে যা আগে থেকেই ওয়েব ব্রাউজারে সেট করা থাকে। তবে এই ফন্ট বা সাইজ যদি আপনার মন মত না হয় তবে নিজের ইচ্ছা মত ফন্ট নির্বাচন করতেও পারেন। এজন্য<font> ট্যাগ ব্যবহার করতে হবে। এখন আমরা এইচটিএমএল এর একটা নতুন ধারনার সাথে পরিচিত হতে যাচ্ছি যাকে বলে অ্যাট্রিবিউট (attribute) । তার আগে একটা উদাহারণের মাধ্যমে বিষয়টার সাথে পরিচিত হওয়া যাক। যথাঃ
<font face=”Times New Roman” size=”20″>
Mahfuzur Rahman
</font>
ওয়েব পেজে নিচের ন্যায় দেখাবেঃ

Mahfuzur Rahman
কি ঘটছে ভাল করে লক্ষ করুন। Mahfuzur Rahman লেখটি Times New Roman ফন্টে প্রদর্শিত হচ্ছে যার সাইজ বা আকার হল ২০। এখানে font ট্যাগের দুটি অ্যাট্রিবিউট হল face ও size ।
এবার অ্যাট্রিবিউট নিয়ে কিছু কথা বলি। অ্যাট্রিবিউট শব্দটি দ্বারা ” কোন কিছুর ধর্ম বা বৈশিষ্ট বোঝায়”। এইচটিএমএল এও এটি একই অর্থে ব্যবহৃত হয়। কোন ট্যাগের ধর্ম বা বৈশিষ্ট কেমন হবে তা অ্যাট্রিবিউট এর মাধ্যমে নির্ধারন করা হয়। যেমনঃ উপরের উদাহারণে লেখার ফন্ট কি হবে তা face আট্রিবিউট দিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে, লেখার আকার কেমন হবে তা size অ্যাট্রিবিউট এর মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয়েছে। এরকম প্রায় সব গুলো ট্যাগেরই নির্দিষ্ট কতগুলো আট্রিবিউট আছে। এগুলো ব্যবহার করে ঐ ট্যাগ গুলোর স্বাভাবিক ধর্ম পরিবর্তন করা যায়। এখানে স্বাভাবিক কথাটা গুরুত্ত্বপূর্ণ। কারণ আপনি যদি কোন অ্যাট্রিবিউট না লিখেন তবে ওয়েব ব্রাউজার তার নিজের মত করে অ্যাট্রিবিউট সেট করে নেবে। যেমনঃ আগের উদাহারণে size অ্যাট্রিবিউট না লিখলে ওয়েব ব্রাউজার লেখাটি স্বাভাবিক আকৃতিতে প্রদর্শিত করত।
কোন ট্যাগের অ্যাট্রিবিউটকে ঐ ট্যাগের ভেতর লিখতে হবে (উপরের উদাহরণের মত)। অ্যাট্রিবিউট এর গঠন নিম্নদূপঃ
অ্যাট্রিবিউট এর নাম = “অ্যাট্রিবিউট এর মান”
<font> ট্যাগ এর তিনটি অ্যাট্রিবিউট আছে । যথাঃ
1.face:এই অ্যাট্রিবিউট এর মাধ্যমে লেখার ফন্ট কি হবে তা নির্ধারন করা যায়। এখানে মানের অংশে যে ফন্টের নাম লিখবেন তা অবশ্যই যে ওয়েব পেজটি দেখবে তার কম্পিউটার এ ইন্সটল থাকতে হবে। তাই সেই সব ফন্টই ব্যবহার করবেন যা সকল কম্পিউটার এ আছে।
2.size:এই অ্যাট্রিবিউট এর মাধ্যমে লেখার আকার কেমন হবে তা নির্ধারন করা যায়।
3.color:এই অ্যাট্রিবিউট এর মাধ্যমে লেখার রঙ কি হবে তা নির্ধারন করা যায়। এর মান তিন ধরনের হতে পারে। যখন CSS শিখাব তখন এই তিন পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। এখন প্রচলিত ইংরেজি নাম ( red ; green etc.) ব্যবহার করতে শিখব।
ফন্ট নিয়ে সম্পুর্ন বিষয়টিকে একটা উদাহারণের সাহায্যে ব্যাখ্যা করা হলঃ
<font face=”Arial” size=”30″ color=”red”>
Bangladesh!!!!!
</font>
ওয়েব পেজে নিচের ন্যায় দেখাবেঃ

Bangladesh!!!!!

আজকের মত এখানেই শেষ।

ওয়েব ডিজাইন-৩:লেখা সাজানো

আগের পোস্টে HTML এর কয়েকটি বেসিক জিনিস নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। এই পোস্টে ওয়েব পেজ এ লেখা কেমন করে সাজাতে হয় তা নিয়ে আলোচনা করবো।
নিচের ট্যাগ গুলো ব্যবহার করে লেখা সাজানো যায়ঃ
১। একাধিক স্পেস দেয়াঃ আগের পোস্টে দেখানো হয়েছে, লেখার মাঝে একাধিক স্পেস দিলেও- তা কেবল একটি স্পেস হিসাবেই ওয়েব পেজ এ পাওয়া যায়। এখন যদি সত্যিই একাধিক স্পেস এর প্রয়োজন হয় তখন কি করবেন? এজন্য ছোট্ট একটা কোড &nbsp ব্যবহার করতে হবে। কোন লেখার মাঝে যতবার &nbsp লিখবেন ততটি স্পেস সৃষ্টি হবে । যেমনঃ Body অংশে নিচের কোড লিখলে(যেহেতু ওয়েব পেজে যা লিখবেন তা Body অংশেই লিখতে হবে ,তাই “Body অংশে লিখলে” কথাটি পরবর্তীতে পরিহার করব। )
I &nbsp am Mahfuzur &nbsp &nbsp &nbsp &nbsp Rahman.
ওয়েব পেজে নিচের ন্যায় দেখাবেঃ
I &nbsp am Mahfuzur &nbsp &nbsp &nbsp &nbsp Rahman.
২। নতুন লাইন তৈরীঃ আগের পোস্টে দেখানো হয়েছে, লেখা লেখার সময় কীবোর্ডের Enter কী ব্যবহার করে নতুন লাইনে গেলেও- ওয়েব পেজে লাইন দুটি কেবল একটি লাইনে পাওয়া যায়। এসমস্যা নিরাসনের জন্য একটি ট্যাগ ব্যবহার করা এবং তা হল
(line break বা লাইন ভাঙ্গার সংক্ষিপ্ত রূপ br)। যেমনঃ
I am Mahfuzur Rahman.
I am teaching you HTML.
ওয়েব পেজে নিচের ন্যায় দেখাবেঃ
I am Mahfuzur Rahman.
I am teaching you HTML.
উল্লেখ্য, যত বার
লিখবেন ততটি নতুন লাইনের সৃষ্টি হবে। যেমন আগের উদাহরণের ক্ষেত্রে
I am Muktadir Rahman.
I am teaching you HTML.
ওয়েব পেজে নিচের ন্যায় দেখাবেঃ
I am Mahfuzur Rahman.
I am teaching you HTML.
এখানে একটা বিষয় লক্ষ করুনঃ আমি আগের পোস্টে লিখেছি যে, একটি ট্যাগ লিখলে ঐ ট্যাগের কাজ শেষ হবার পর সমাপ্তিসূচক ট্যাগ লিখতে হবে। কিন্তু উপরের
ট্যাগ ব্যবহার করলেও এখানে কোন সমাপ্তিসূচক ট্যাগ লিখা হয় নি। তার পরিবর্তে শেষের > চিহ্নের আগে / চিহ্ন ব্যবহৃত হয়েছে। এটা ব্যতিক্রম। এছাড়া আরো দু-একটি ট্যাগ (  <img/>,<hr>, ) আছে যাতে সমাপ্তিসূচক ট্যাগ লিখতে হয় না। এই দু-একটি ব্যতিক্রম ছাড়া বাকী ট্যাগ গুলোতে সমাপ্তিসূচক ট্যাগ লিখতে হবে। যে যে ট্যাগের ক্ষেত্রে সমাপ্তিসূচক ট্যাগ লিখতে হয় না, তা সময় মত বলে দেয়া হবে। এখন ইহা নিয়ে এখন মাথা না ঘামালেও চলবে।
৩। প্যারাগ্রাফ তৈরীঃ বড় বড় লেখাগুলো সাধারণত একাধিক প্যারাগ্রাফে বিভক্ত করে লিখলে পাঠকের বুঝতে সুবিধা হয়। যেমন আমার এই পোস্টটি অনেক গুলো প্যারাগ্রাফ ব্যবহার করেছি। প্যারাগ্রাফ তৈরী করার জন্য
ট্যাগ ব্যবহার করা হয় ( প্যারাগ্রাফ(paragraph) এর প্রথম অক্ষর p ব্যবহার করে ট্যাগটি
)। যেমনঃ
<p>I am Mahfuzur Rahman. I am studying at Bheramara College BBS. I want to be an Web developer.</p>
<p>During my leisure,I try to write new post for my readers. Now I am teaching you all web design. But what I have seen is that most of you do not feel any interest in Learning Web design.</p>
ওয়েব পেজে নিচের ন্যায় দেখাবেঃ
I am Mahfuzur Rahman. I am studying at Bheramara College BBS. I want to be an Web developer.
During my leisure,I try to write new post for my readers. Now I am teaching you all web design. But what I have seen is that most of you do not feel any interest in Learning Web design.
৪। একের ভিতর সবঃ উপরে একাধিক স্পেস সৃষ্টি, নতুন লাইন তৈরী, প্যারাগ্রাফ তৈরী দেখানো হয়েছে। এসব ব্যবহার করা অনেক ক্ষেত্রে ঝামেলা দায়ক হতে মনে হতে পারে। যেমন ধরুন আপনার একাধিক স্পেস ব্যবহার করা প্রয়োজন – সেক্ষেত্রে একাধি বার &nbsp ব্যবহার করতে হয়, নতুন লাইন তৈরী করতে বার বার <br/> ট্যাগ ব্যবহার করতে হয়। এই ঝমেলা গুলো এড়াতে <pre> ট্যাগ ব্যবহার করতে পারেন। ট্যাগ ব্যবহার করে যেভাবে লেখাগুলো লিখবেন , ঠিক সেই ভাবেই ওয়েব পেজে প্রদর্শিত হবে (অর্থাৎ লেখাগুলোর মাঝে যত স্পেস দিবেন, যত নতুন লাইন তৈরী করবেন -ওয়েব পেজে ঠিক সেরকম প্রদর্শিত হবে) । যেমনঃ আগের পোস্টের উদাহারণটির ক্ষেত্রেঃ
<pre>I am           Mahfuzur Rahman.
I        am teaching you HTML</pre>
ওয়েব পেজে নিচের ন্যায় দেখাবেঃ
I am      Mahfuzur Rahman.
I   am teaching you HTML
আজ এই পর্যন্তই । আগামী পোস্টে লেখা আকার আকৃতি বদলানো নিয়ে লিখব। কোন প্রশ্ন থাকলে,বুঝতে অসুবিধা হলে মন্তব্য  করতে পারেন।
অনুশীলনঃ ওয়েব পেজে নিচের লেখাগুলো যেভাবে আছে সে ভাবে প্রদর্শণ করার জন্য কী কী লিখতে হবে?
I love          my     country
very          much.
And I think that-
everyone                should  love   his country.
(দুই উপায়ে করা যেতে পারে। একটা সহজ ও অন্যটা ঝামেলা দায়ক। দুটি উপায়েই চেষ্টা করবেন কিন্তু)

ওয়েব ডিজাইন-২: HTML বেসিক

HTML শেখার আগে কয়েকটি মৌলিক বিষয়ে ধারণা থাকতে হবে। নিচে তা আলোচনা করা হলঃ
HTML ট্যাগঃ ট্যাগ সম্পর্কে আগের পোস্টে ধারনা দেয়া হয়েছিল। < চিহ্ন দিয়ে শুরু এবং > চিহ্ন দিয়ে শেষ হওয়া শব্দ বা শব্দসমষ্টিই হল ট্যাগ। যেমনঃ <HTML>, <Body>, <head>,<P> ইত্যাদি এক একটি ট্যাগ। HTML কিছু ট্যাগের সমষ্টি ছাড়া আর কিছুই নয়। এই ট্যাগগুলো ব্যবহার করেই HTML এর সকল কোড লিখতে হয়। অর্থাৎ আমরা যা কিছু-ই করি না কেন(টাইটেল দেয়া,লেখা বড়-ছোট করা, বর্ণ পরিবর্তন,লিস্ট তৈরী ইত্যাদি সবকিছু), তা ট্যাগ ব্যবহার করেই করতে হবে। প্রতিটি কাজ করার জন্য আলাদা আলদা ট্যাগ আছে যেমনঃ ওয়েব পেজ এর টাইটেল দেয়ার জন্য টাইটেল (<title>) ট্যাগ। তাই আমরা HTML এ যা শিখব তা হল এই ট্যাগগুলোর কোনটি কোন কাজে এবং কেমন করে ব্যবহার করতে হয়। এখানে আরেকটা জিনিস জানতে হবেঃ একটা ট্যাগ শুরু করে ঐ ট্যাগের কাজ শেষ হবার পর একটি সমাপ্তি সুচক ট্যাগ লিখে দিতে হবে। এটা লিখার জন্য যে ট্যাগ ব্যবহারর করেছেন সেই ট্যাগটিই লিখতে হবে, কেবল প্রথম < চিহ্নের পর / ব্যবহার করতে হবে। যেমনঃ
আগের পোস্টের উদাহারণে

এখানে <title> ট্যাগ লিখে ওয়েব সাইট এর টাইটেল লেখার পর সমাপ্তি সূচক </title> ট্যাগ লিখে দেয়া হয়েছে। সমাপ্তি সূচক ট্যাগটি নির্দেশ করে যে ওয়েব সাইট এর টাইটেল লেখা শেষ হয়েছে। অর্থাৎ সমাপ্তি সুচক ট্যাগ এর আগ পর্যন্ত যা লিখা হবে তা-ই ওয়েব পেজ এর টাইটেল হিসাবে বিবেচিত হবে( এমন কি </head> <body> ইত্যাদি ট্যাগও ওয়েব পেজ এর টাইটেল হয়ে যাবে।আগের পোস্ট এর কোডটা লিখে </title> ট্যাগটি বাদ দিয়ে পরীক্ষা করে দেখুন। অবশ্যই পরিক্ষাটা করে দেখবেন কিন্তু।) । শুধু টাইটেল ট্যাগ নয় পরবর্তীতে যত গুলো ট্যাগ ব্যবহার করবেন , ব্যবহারের পর সমাপ্তি সুচক ট্যাগ অবশ্যই লিখবেন।
ওয়েব পেজ এর বিভিন্ন অংশঃ আগের পোস্টে বলা হয়েছে – HTML এ ওয়েব পেজকে দুইটি অংশে ভাগ করা হয়ঃ ১। Head .২। Body
১। Head: এই অংশ <head> ট্যাগ দিয়ে শুরু হয় এবং </head> ট্যাগ দিয়ে শেষ হয়। এই অংশে ওয়েব পেজের টাইটেল সেট করা হয়। এছাড়াও আরো কিছু কাজ করা হয় যা পরে দেখা যাবে।
২। Body: এই অংশ <body> ট্যাগ দিয়ে শুরু হয় এবং </body> ট্যাগ দিয়ে শেষ হয়। এই অংশে ওয়েব পেজ এ যা যা থাকবে ( যেমন কোন লেখা, ছবি ইত্যাদি যে কোন কিছু) তা লিখে দিতে হয়।এই অংশের মাঝে যা লিখবেন ওয়েব পেজেও তা লেখা দেখা যাবে। এই পোস্ট শেষে তা বুঝতে পারবেন।
সুতরাং যে কোন ওয়েব পেজে নিচের অংশগুলো থাকতে হবেঃ
<html>
<head>
(এখানে টাইটেল সেট করা লাগবে)
</head>
<body>
(এখানে যা লিখবেন তা ওয়েব পেজ এ প্রদর্শিত হবে।)
</body>
</html>
এখন থেকে মনে রাখবেন – যে কোন ওয়েব পেজ তৈরী করতে হলে উপরের কোডগুলো সব সময় লিখতে হবে। তারপর যা করার করবেন। (কোডগুলোকে Notepad এ লিখে HTML ফাইল হিসাবে সেভ করা লাগবে যা আগের পোস্টে আলোচনা করা হয়েছে)। উপরের অংশ কমপক্ষে দুই বার পড়তে হবে। বিষয়টা বুঝে থাকলে ওয়েব পেজ তৈরী করার কাজে নেমে পরুন।
টাইটেল সেট করাঃ আগেই বলা হয়েছে HTML এ প্রতিটি কাজ করার জন্য এক একটি ট্যাগ আছে। টাইটেল সেট করার জন্য টাইটেল ট্যাগ (<title>) ব্যবহার করতে হবে। এই ট্যাগকে Head অংশে লিখতে হবে। যেমনঃ
<html>
<head>
<title>My First Web Page</title>
</head>
<body>
</body>
</html>
উপরের ওয়েব পেজের টাইটেল হল “My First Web Page” যা ওয়েব ব্রাউজারের টাইটেল বারে দেখা যাবে।
ওয়েব পেজে লেখাঃ আগেই বলা হয়েছে যে body অংশে যা-ই লিখবেন তা-ই ওয়েব পেজ এ দেখা যাবে। যেমনঃ
<html>
<head>
<title>My First Web Page</title>
</head>
<body>
Welcome to my first web page.
</body>
</html>
এবার পেজটি ওপেন করে দেখুন লেখা আছে “Welcome to my first web page. ” । তবে এখানে লেখার ক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। লেখাগুলোর মাঝে একাধিক Space দিতে পারবেন না । দিলেও ওয়েব পেজে কেবল একটি Space দেখাবে। Keyboard এ Enter কী ব্যবহার করে আলাদা লাইনে লিখলেও , ওয়েব পেজে তা কেবল একটা লাইন হিসাবেই উপস্থাপিত হবে। যেমনঃ body অংশে নিচের লেখা লিখলেও
I am                                                         Muktadir                 Rahman.
I am                                       teaching you                                    HTML
ওয়েব পেজে কেবল নিচের লেখা দেখাবেঃ
I am Muktadir Rahman. I am teaching you HTML
এই সমস্যা নিরাসনের জন্য কিছু ট্যাগ ব্যবহার করা হয়। ওয়েব পেজে লেখা সাজানোর জন্য যে ট্যাগগুলো ব্যবহার করা হয় তা নিয়ে পরবর্তী পোস্টে আলোচনা করা হবে।
এবার নিচের প্রশ্ন গুলোর জবাব দিয়ে আপনি কতটুকু বুঝেছেন তা চেক করুন। যদি আটকে যান মন খারাপ করবেন না- পোস্টটি আবার মনযোগ দিয়ে পড়ে ফেলুন।
প্রশ্ন-১। ধরুন আপনার ওয়েব পেজ এ একটা ছবি প্রদর্শণ করাবেন। কোন জিনিসটি ব্যবহার করবেন?
ক) ট্যাগ খ) জাভাস্ক্রিপ্ট গ) অন্য কিছু
প্রশ্ন-২। ছবি প্রদর্শণের ক্ষেত্রে কোন অংশে কোড লিখবেন?
ক)Head খ)Body গ) অন্য কোন স্থানে

ওয়েব ডিজাইন-১:প্রাথমিক আলোচনা

নিজের একটা ওয়েব সাইট থাকুক-কে না চায়। তবে প্রয়োজনীয় জ্ঞানের অভাবে অনেকেই হয়তো নিজের একটা ওয়েব সাইট তৈরী করতে পারেন না। সবাই যেন নিজের একটা ওয়েব সাইট নিজেই বানাতে পারেন – বিষয়টা চিন্তা করে ওয়েব সাইট তৈরী সম্পর্কে প্রথম থেকে লিখব বলে মনস্থির করেছি। এখানে প্রথমিক কিছু আলোচনা করলাম। পরবর্তী পোস্ট গুলোতে ধারাবাহিকভাবে কিভাবে ওয়েব সাইট তৈরী করতে হয়,ওয়েব হোস্টিং করতে হয় এসব বিষয়ে লিখতে চেষ্টা করব। আরেকটা কথা- আমি ধরে নিয়েছি যারা পোস্টগুলো পড়ছেন তারা ওয়েব সাইট তৈরী করার ক্ষেত্রে নতুন এবং তাই আমি প্রথম থেকেই শুরু করছি।
আপনার ওয়েব সাইট পেতে হলে নিচের ধাপগুলো পর্যায়ক্রমে অনুসরন করতে হবেঃ
১. ওয়েব সাইট তৈরী
২. ওয়েব সাইট প্রকাশ
১।ওয়েব সাইট তৈরীঃ প্রথমে আপনাকে ওয়েব সাইটটা তৈরী করতে হবে। একাজটা দুইভাবে করতে পারেনঃ এক, বিভিন্ন সফটওয়্যার (যেমনঃ Microsoft FrontPage , Adobe Dreamweaver ইত্যাদি) ব্যবহার করে। দুই, কোড লিখে (যেমনঃ HTML, CSS,JavaScript প্রভৃতি)। আসলে আপনি যেভাবেই ওয়েব সাইট বানান না কেন , তা হবে কিছু কোডের সমষ্টি। সফটওয়্যারগুলো কোড লেখার কাজটা করে দেয়। তাই সফটওয়্যারগুলো দিয়ে ওয়েব সাইট বানানো তুলনামুলকভাবে অনেকটা সহজ । তবে ওয়েব সাইট তৈরী করার আসল মজাটা পাওয়া যায় যখন কোড লিখে ওয়েব সাইট তৈরী করা যায়। আমি কোড লিখে (HTML ও CSS ব্যবহার করে ) ওয়েব সাইট তৈরী করা দেখাবো।
২. ওয়েব সাইট প্রকাশঃ ওয়েব সাইট তৈরী করার পর তা ইন্টারনেট এ প্রকাশ করতে হবে। এজন্য দুইটি কাজ করতে হবেঃ এক, ডোমেইন নেম (আপনার ওয়েব সাইট এর নামই হল ডোমেইন নেম, যেমন Muktadir.com) কেনা এবং দুই,ইন্টারনেট এ ওয়েব সাইট রাখার জন্য জায়গা (Space) কেনা (যেখানে আপনার ওয়েব সাইট আপলোড করবেন. এই আপলোড করার কাজটাকে বলে ওয়েব হোস্টিং)। যেহেতু আপনি এই ব্যপারে নতুন , তাই আগে বিনামুল্যে ওয়েব সাইট প্রকাশ করে শিখতে পারেন। এজন্য বিভিন্ন ওয়েব সাইট আছে (যেমনঃ http://www.110mb.com ) যেখানে Sign up করলে তারা একটা ডোমেইন নেম ও কিছু জায়গা দেয়। কাজটা খুবই সহজ , যা নিয়ে পরে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
কোড লিখে ওয়েব সাইট তৈরী করাঃ এজন্য প্রথমে HTML শিখতে হবে। HTML একটা সহজ লেংগুয়েজ। ধৈর্য ধরে পোস্টগুলো পড়ুন । আশা করি HTML শেখা খুব বেশী কঠিন কিছু হবে না। HTML দিয়েই সাধারন ওয়েব সাইট তৈরী করা যায়। তবে ওয়েব সাইট কে সুন্দর ও আকর্ষনীয় করার জন্য CSS ব্যবহার করা লাগবে। HTML ও CSS শিখলেই সহজেই মনের মত ওয়েব সাইট তৈরী করে ফেলতে পারবেন। তো আর কথা না বাড়িয়ে চলুন HTML শেখা শুরু করি।
কী কী লাগবেঃ HTML বা CSS দিয়ে ওয়েব সাইট বানাতে আলাদা কোন সফটওয়্যার এর দরকার নেই। উইন্ডোজ এর Notepad নামের টেক্সট এডিটর দিয়েই কাজ চালানো যায়। তবে প্রোগ্রামারগণ Notepad++ নামক ছোট একটা সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকেন। এর সুবিধা হল যখন কোড লিখবেন তখন কোড গুলো বিভিন্ন বর্ণ ধারন করে। এতে কোড লিখে মজা পাওয়া যায়, সহজে ভুল গুলো সহজে ধরতে পারা যায়। এছাড়াও বেশ কিছু বাড়তি সুবিধা পাওয়া যায়। তাই যারা HTML শিখতে চান তারা Notepad++ সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন http://download.tuxfamily.org/notepadplus/6.5.1/npp.6.5.1.Installer.exe লিংটি থেকে। তবে Notepad++ না ব্যবহার করলেও কোনো সমস্যা নেই, Notepad তো আছেই।
HTML প্রথম পাঠঃ HTML এর মৌলিক আলোচনা শুরু করার আগে ছোট একটা HTML পেজ তৈরী করা যাক । প্রথমে Notepad ওপেন করুন (Start Menu> Programs> Accessories >Notepad)। নিচের কোডগুলো লিখে ফেলুন।
<html>
<head>
<title>My First Web Page</title>
</head>
<body>
Welcome to my First Web page
</body>
</html>
এবার File> Save এ যান। যে উইন্ডো আসবে তার File name নামক text box এ লিখুন Index.html এবং ফাইলটি ইচ্ছা মত একটা ফোল্ডারে সেভ করুন।ব্যস তৈরী হয়ে গেল HTML পেজ। এবার ঐ ফোল্ডারে গিয়ে ফাইলটি ওপেন করুন । ওয়েব ব্রাউজারের টাইটেল বারে দেখুন লেখা My First Web Page এবং সামনে Welcome to my First Web page লেখাটি দেখা যাবে।
এবার বিষয়টি ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করা যাক। যখন ফাইলটি ওপেন করা হল তখন ওয়েব ব্রাউজার উপরের প্রতিটি লাইনকে পর্যায়ক্রমে ইন্টারপ্রেট বা অনুবাদ করতে থাকে (সোজা কথায় আপনি কোডগুলো দিয়ে যে কমান্ড দিলেন সে অনুসারে কাজ করতে থাকে) । বিষয়
টা নিচে বর্ণনা করা হলঃ
১। যখন ব্রাউজার <html> লাইনটি দেখে তখন সে বুঝে যে এর নিচে </html> এর উপরে যে কোড গুলো লিখেছেন তা HTML ভাষায় রচিত। তারপর ব্রাউজারটি পরের লাইনে চলে যায় ।
২।যখন <head> লেখাটি দেখে তখন সে বুঝে নেয় </head> লেখটির আগ পর্যন্ত কোড গুলো head অংশের (HTML এ একটি ওয়েব পেজ প্রধানত দুটি অংশে বিভক্ত Head ও Body।Head অংশে ওয়েব সাইট এর টাইটেল সেট করা হয় এবং Body অংশে ওয়েব পেজ এ যা যা থাকবে তা নির্ধারন করা হয়)।
৩।যখন <title>My First Web Page</title> লাইনটিতে যায় তখন বুঝে নেয় ওয়েব সাইটটির Title হবে My First Web Page. তাই ওয়েব পেজটি ওপেন করলে টাইটেল বারে My First Web Page লেখাটি দেখায়।
৪। যখন <body> লাইনটিতে যায় তখন বুঝে নেয় </body> লাইনটির আগ পর্যন্ত যা আছে তা body অংশের আওতাভুক্ত। ফলে Welcome to my First Web page লেখাটি ওয়েব পেজ এ দেখায়।
উপরের আলোচনা থেকে যা যা শিখলাম তা হলঃ
১। প্রতিটি ওয়েব পেজ এর দুইটি অংশ থাকেঃ Head ও Body । Head অংশে ওয়েব পেজ এর টাইটেল ও Body অংশে ওয়েব পেজ এ যা যা থাকবে তা লিখে দিতে হয়।
২। < চিহ্ন দিয়ে শুরু ও > দিয়ে শেষ হোওয়া শব্দগুলোকে HTML এর ভাষায় ট্যাগ (tag) বলে। এই গুলো ব্যবহার করেই ওয়েব ব্রাউজারকে নির্দেশ দেয়া হয়। তাই ট্যাগগুলো গুরুত্তপুর্ন।
পরের পোস্টে HTML এর প্রাথমিক বিষয়াদি আলোচনা করার চেষ্টা করব। পরবর্তী পোস্ট গুলো পাবার জন্য কেমন লাগলো জানাবেন।